• Before discussing unnaturàl sex

    Before discussing unnatural sex / sexually transmitted diseases, it is necessary to say something about some unnatural sex. Because if you know why sexual weakness occurs, people will be able to be alert in advance. There are many types of unnatural intercourse, among which three types of unnatural intercourse are predominant. Such as masturbation, homosexual intercourse and unnatural intercourse are the main ones. All these unnatural intercourse give rise to various diseases. Masturbation is the most common form of unnatural intercourse. At least 90 percent of men become accustomed to masturbation. It cannot be called a disease, it can be called a bad habit. There are many advertisements for masturbation drugs nowadays, but it is not safe to use these drugs. When the lust in the mind of a man is intense, when there is no way to satisfy the lust in general, then the man satisfies the lust by masturbating. With the help of drugs to suppress sexual desire again and again, finally there comes a time when sexual arousal does not come during normal sexual intercourse and the penis or senses do not develop or become strong. Masturbation – This habit originates primarily from congenital malformations. During adolescence, he comes in contact with evil companions, and reads cheap pornographic books and continues to do so. As a result of this habit, the body gradually becomes weak. Dizziness, dizziness in the corners of the eyes. The color of semen is like water. If this condition occurs, treatment is required.

  • A few words about sexually transmitted diseases

    Sex first two types.1)sexually transmitted diseases. 2)Natural sexually transmitted diseases. 1)Sexually transmitted diseases-these sexually transmitted diseases attack men and women as a result of sexual intercrouse. Body germs enter anathere’s are gonorrhea,syphilis,syphilis etc. 2)Natural vaginal diseases these sexually transmitted diseases are caused bynatural causes. Orgasm is not caused. These diseases are- nightmares,spermatogenesis,insomnia,ibetes.

  • কামরস/sex

    পুরুষের যখন কামোত্তোজনা জাগে,তখন লিঙ্গ উত্থিত এবং দৃঢ় হয়। সেই সময় দেখা যায় যে,শিশ্নমূন্ড থেকে এক প্রকার জলের মত পিচ্ছিল রস বের হচ্ছে। অনেকে একে বীর্য মনে করে ভয় পেয়ে যান। অনেকে মনে করেন, তারা হয়তো কোন না কোন যোৌন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ভ্রান্ত ধারণার ফলে অবশেষে এমন অবস্থা আসে যে, মানসিক ভয়ের কারণে শীঘ্রপতন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ফলে সারা জীবন ভরে যায় হতাশায়। সব সময় মনে রাখতে হববে যে, সম্ভোগের পূর্বে জলের মতন যে পিচ্ছিল পদার্থটি লিঙ্গমূখ থেকে বেরিয়ে আসে, সেটা কিন্তু বীর্য নয়। এটি হলো কাউপার গ্রন্থি ও প্রোষ্টেট গ্রন্থির নিঃসৃত রস। এই নিঃসৃত রস বেরিয়ে লিঙ্গটি কে পিচ্ছিল করে দেয়, ফলে যোনিগর্ভে লিঙ্গ বা ইন্দ্রিয় প্রবেশ করানো সহজসাধ‍্য হয়। এবং নারী ও পুরুষের যৌনাঙ্গের ঘর্ষণজণিত কোন আঘাত লাগে না। ঘর্ষণে পূর্ণ তৃপ্তি পাই। 💖💖

  • লিঙ্গমূল গ্রন্থি এবং পুরুষগ্রন্থি

    লিঙ্গমূলগ্রন্থি দুটি থাকে লিঙ্গমূলের দুইপাশে।এই দুটির রঙ কিছুটা হলুদ এবং আকৃতি মটর দানার মতো।এই দুটি গ্রন্থি থেকে একপ্রকার তরলপদার্থ স্রাবের আকারে লিঙ্গমূখ দিয়ে বাইরে আসে। এই স্রাবের ফলে লিঙ্গূখ পিচ্ছিল হয়। এই কাউপার গ্রন্থির কিছু তরল স্রাব আবার বীর্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে বীর্যকে পিচ্ছিল করে তোলে। কাউপার  গ্রন্থি  দূটি থেকে প্রায় 25 সি.মি লম্বা একটি নালিকা লিঙ্গের ভিতরে মূত্র নির্গমন পথের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এর সাহায‍্যেই লিঙ্গমূলের গ্রন্থির অর্থাৎ কাউপার গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস বীর্যের সাথে মিশে যায়।

    মূত্রাশয়ের সামনের দিকে থাকে প্রোস্টেট গ্রন্থি। বা পৌরুষ গ্রন্থি।এটি দেখতে ঠিক সুপারীর মত।এবং প্রায় 8 গ্রামের মত ওজন হয়।  এই গ্রন্থি থেকেই একপ্রকার সাদা পিচ্ছিল পদার্থ মৈথুন সময়ে লিঙ্গ মূখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। তখন পুরুষের বীর্যপাত হয় সেই সময় এই তরল পদার্থ বীর্যের সঙ্গে মিশ্রিত হয়। এর সঙ্গে শুক্রকীট থাকায় বীর্য সাদা  ও উজ্জ্বল দেখায় বা হয়।

  • শুক্রকীট বা শুক্রানু

    অন্ডকোষে শুক্রানু উৎপন্ন হয়। অন্ডকোষের মধ‍্যে আবার সুক্ষ্ম অনেক গুলি কোষ(সেল) থাকে। এই কোষের মধ‍্যে আবার সুক্ষ্ম চুলের মতো স্নায়ু আছে। এই সব স্নায়ু বা নালিকার দ্বারা শুক্রানু তৈরী হয়। এরপর শুক্রগুলি যুক্ত হয় উপাঙ্গের সঙ্গে। এখানে শুক্রকীট গুলি পূর্ণতা লাভ করে। এই উপাঙ্গের সাথে আবার যুক্ত থাকে শুক্রবাহী নালী।এই নালী অন্ডকোষের দিকে কিছুটা এগিয়ে তলপেটে প্রবেশ করে। তারপর এখান থেকে ঘুরে মূত্রাশয়ের পিছন দিকে। শুক্রবাহী নালী দুটি লম্বায় প্রায় 16 ইঞ্চি এবং ব‍্যাস প্রায় 8/10ইঞ্চি হয়। এই ভাবে শুক্রানু তৈরী হয়। সহবাসকালীন পুরুষের যে বীর্য স্পলন হয়,তাতে থাকে লক্ষ‍্য লক্ষ‍্য শুক্রকীট। যৌন বিজ্ঞানীগনের মতে এক চা চামচ বীর্যের সঙ্গে কয়েক কোটি শুক্রানু থাকতে পারে।এই শুক্রানু গুলো দেখতে ঠিক ব‍্যাঙাচির মতো। এদের মাপ হলো 1ইঞ্চির 6000হাজার ভাগের এক ভাগ মাত্র। মাইক্রোস্কোপ  যন্ত্র ছাড়া এদের খালি চোখে দেখা যায় না। বীর্যে মধ‍্যে অসংখ‍্য শক্রকীটের মাথার দিগটা মোটা এবং কিছু চ‍্যাপটা পিছনে থাকে লেজ।

    যোনিগর্ভে বীর্যপাত হলেই শুক্রানুগুলি লেজের সাহায‍্যে প্রতি মিনিটে মাপা আধ ইঞ্চি গতিতে যোনির মধ‍্যে এগিয়ে যেতে থাকে। তারপর জরায়ূতে শুক্রকীট প্রবেশ করে তাপর এগিয়ে যায় গর্ভাশয় পর্যন্ত।সেখানে নারীর ডিম্বাশয়ের মধ‍্যে প্রবেশ করে।শুক্রানূ ডিম্বাশয় ডিম্বাশয়ে প্রবেশ করলেই তার লেজটি খসে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে ডিমম্বাশয়ের উপর শক্ত আবরন পড়ে যায়। ফলে অন‍্য কোন শুক্রকীট ডিম্বাশয়ে প্রবেশ করতে পারে না। বাকী সব গুলি মরে যায়। যোনিগর্ভে থেকে ডিম্বানুর সঙ্গে মিলিত হ তে শুক্রকীটের প্রায় 8 ঘণ্টা সময় লাগে। পুরুষের শুক্রানু  নারীর গর্ভাশয়ের মধ‍্যে 4 ঘণ্টা জীবিত থাকে। এর মধ‍্যেও যদি কোন শুক্রানু ডিম্বানুর সঙগে মিলিত হতে পারে। তাহলে গর্ভ সঞ্চার হয় না। যদি কোন কারণে পুরুষের বীর্য দূষিত হয় তা হলে শুক্রকীট গুলি সেই বীর্যে থাকলেও নিস্তেজ থাকে। তাদের গর্ভ সঞ্চার  করার শক্তি থিকে না। আবার অনেক সময় নানা রকম স্ত্রী রোগের জন‍্য নারীর ডিম্বানু দূর্বল হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় শুক্রকীট সতেজ হলেও গর্ভ সঞ্চার হয় না। এই জন‍্য শূক্রকীট এবং ডিম্বানু সবল সতেজ না হলে গর্ভ সঞ্চার হবে না। এবং যদিও হয় তাহলে সুস্থ রাখার  বিশেষ প্রয়োজন।

  • অন্ডকোষ এবং বীর্য/টেস্টিজ@ হরমোন

    পুরুষের লিঙ্গের নিম্নে একটি থলির মতো থাকে,তারই মধ‍্যে থাকে দুটি অন্ড।অন্ড দুটির সাহায‍্যে বীর্য উৎপাদন হয়। সেজন‍্য অন্ড দুটিকে বীর্য উৎপাদনের কেন্দ্র বলা হয়। অন্ডকোষ কখনো সংকুচিত হয় আবার কখনো প্রসারিত হয়। লিঙ্গর চারপাশে এবং অন্ডকোষের উপরে লোম থাকে। একে যৌনকেষ বলে। শুক্রকীট কে বাঁচিয়ে রাখতে পারে এই দুটি অন্ড। আমাদের দেহে যে উত্তাপ আছে,সেই উত্তাফে শুক্রকীট বাঁচতে পারেনা। তাই প্রকৃতিগত ভাবে এটি দেহের থেকে পৃথকভাবে একটি আলাদা থলির মধ‍্যে থাকে। এখানে শুক্রকীট গুলো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে।আমাদের দেহের তুলনাই অন্ডকোষের তাপমাত্রা (5-10)সেন্টিগ্রেট কম থাকে।

    শুক্র বা বীর্য হলো সাদা রঙের এক প্রকার পদার্থ। সম্ভোগ করার সময় এই পদার্থটি শিশ্নমুন্ডের মধ‍্য দিয়ে পতিত হয়। এটি এক প্রকার গাঢ় পদার্থ।এই শুক্র বা বীর্য পুরুষের দেহের কোন একটি বিশেষ অঙ্গ দ্বারা নির্মিত হয় না। এই বীর্য নামক পদার্থটি শুক্র প্রণালী,অন্ডগ্রন্থি,প্রোস্টেটগ্রন্থি এবং শুক্রাশয় গ্রন্থি প্রভৃতি বিভিন্ন জনন তন্ত্রের বিভিন্ন মিশ্রন দ্বারা তৈরী হয়।এই শুক্র বা বীর্যের মধ‍্যে শতকরা 90 ভাগ হলো জলীয় পদার্থ এবং শতকরা 10ভাগ শুক্রানু,প্রোটিন, জান্তর লবন প্রভৃতি থাকে। ক্রমানুক্রমে চলবে

  • অন্ডকোষ এবং বীর্য/টেস্টিজ@ হরমোন

    পুরুষের লিঙ্গের নিম্নে একটি থলির মতো থাকে,তারই মধ‍্যে থাকে দুটি অন্ড।অন্ড দুটির সাহায‍্যে বীর্য উৎপাদন হয়। সেজন‍্য অন্ড দুটিকে বীর্য উৎপাদনের কেন্দ্র বলা হয়। অন্ডকোষ কখনো সংকুচিত হয় আবার কখনো প্রসারিত হয়। লিঙ্গর চারপাশে এবং অন্ডকোষের উপরে লোম থাকে। একে যৌনকেষ বলে। শুক্রকীট কে বাঁচিয়ে রাখতে পারে এই দুটি অন্ড। আমাদের দেহে যে উত্তাপ আছে,সেই উত্তাফে শুক্রকীট বাঁচতে পারেনা। তাই প্রকৃতিগত ভাবে এটি দেহের থেকে পৃথকভাবে একটি আলাদা থলির মধ‍্যে থাকে। এখানে শুক্রকীট গুলো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে।আমাদের দেহের তুলনাই অন্ডকোষের তাপমাত্রা (5-10)সেন্টিগ্রেট কম থাকে।

    শুক্র বা বীর্য হলো সাদা রঙের এক প্রকার পদার্থ। সম্ভোগ করার সময় এই পদার্থটি শিশ্নমুন্ডের মধ‍্য দিয়ে পতিত হয়। এটি এক প্রকার গাঢ় পদার্থ।এই শুক্র বা বীর্য পুরুষের দেহের কোন একটি বিশেষ অঙ্গ দ্বারা নির্মিত হয় না। এই বীর্য নামক পদার্থটি শুক্র প্রণালী,অন্ডগ্রন্থি,প্রোস্টেটগ্রন্থি এবং শুক্রাশয় গ্রন্থি প্রভৃতি বিভিন্ন জনন তন্ত্রের বিভিন্ন মিশ্রন দ্বারা তৈরী হয়।এই শুক্র বা বীর্যের মধ‍্যে শতকরা 90 ভাগ হলো জলীয় পদার্থ এবং শতকরা 10ভাগ শুক্রানু,প্রোটিন, জান্তর লবন প্রভৃতি থাকে। ক্রমানুক্রমে চলবে

  • Untitled

  • পুরুষের জননেন্দ্রিয় বা শিশ্নএ

    এই অঙ্গটির দ্বারা পুরুষ মৈথুন ক্রিয়া করে।এই মৈথুন ক্রিয়ার ফলে পুরুষের বীর্য স্ত্রীর যোনিগর্ভে পতিত হয়এবং সন্তান উৎপাদন হয়ে থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষের শিশ্ন বা লিঙ্গটি নরম ও সংকুচিত থাকে। এ হলো শিথিল অবস্থা। যখন কামোত্তোজনা জাগরিত হয় সেই সময় লিঙ্গে মধ‍্যস্থিত স্পঞ্জ জাতীয় পদার্থগুলি রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।এবং লিঙ্গটি আকারে বেশ বড়ো ও মোটা হয়। উত্তেজিত অবস্থায় এই সুদৃঢ় শিশ্নটি যোনিগর্ভে প্রবেশ করানো সহজ হয়।ও পরুষের সম্ভোগ ক্রিয়া সম্পূর্ণ করে।  সহবাসের ফলে বীর্যপাতের সঙ্গে লিঙ্গ মধ‍্যস্থিত স্পঞ্জের মধ‍্যে যে রক্ত পরিপূর্ণ হয়,সেই রক্ত আবার সস্থানে ফিরে যায়।লিঙ্গ টি শিথিল হয়ে পড়ে। পুরূষের শিশ্ন সকলের একই দৈর্ঘ‍্যের  বা একই পরিধির হয় না। কারো বড়ো হয় আবার কারো ছোটো হয়। এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার যে,চেহার বেশ লম্বা চওড়া বা মোটাসোটা হলেই যে তার শিশ্নটি বড়ো হবে এমন কোনো কথা নেই।একজন রোগা লোকের শিশ্ন বেশ বড়ো হয়এবং মোটা হতে পারৈ।এটি বড়ো ও মোটা হয় বংশ গতির কারণে। লিঙ্গ বড়ো বা ছোটো যাই হোক না কেন,তার সাহায‍্যে সমভোগ ক্রিয়া করা যায়। সাধারণত,(-4-8)ইঞ্চী  শিশ্নটি হয়ৈ থাকে। পুরুষের সমগ্র লিঙ্গটির মধ‍্যে খুবই সংবেদনশীল অঙ্গ হলো শিশ্নমুন্ড। সামন‍্য কিছু স্পর্শেই এটি উত্তেজিত হয় পড়ে। সহবাস কালীন  যখন শিশ্নটি  নারীর যোনিতে প্রবেশ ও হয়,তখন শিশ্নটি নারীর যোনিতে প্রবেশ করানো হয়,তখন শিশ্নমুন্ডের সঙ্গে নারীর যোনির ঘর্ষন লাগে। তারই ফলে চরম উত্তেজনা লাগে এবং বীর্যপাত্ত হ্নয়। শিশ্নমুন্ডের সামনে থাকে- একটি ছিদ্র। এই ছিদ্রপথে বেরিয়ে আসে মুত্র ও বীর্য। মুত্রাশয় থেখে মুত্র বেরিয়ে আসে মুত্রনালী পথে।শুক্রাশয় থেকে শুক্র বেরিয়ে আস শুক্রনালীপথে তারপর শীশ্নমুন্ড পথে বেরিয়ে আসে।

    সয় থেকে

Design a site like this with WordPress.com
Get started