লিঙ্গমূল গ্রন্থি এবং পুরুষগ্রন্থি

লিঙ্গমূলগ্রন্থি দুটি থাকে লিঙ্গমূলের দুইপাশে।এই দুটির রঙ কিছুটা হলুদ এবং আকৃতি মটর দানার মতো।এই দুটি গ্রন্থি থেকে একপ্রকার তরলপদার্থ স্রাবের আকারে লিঙ্গমূখ দিয়ে বাইরে আসে। এই স্রাবের ফলে লিঙ্গূখ পিচ্ছিল হয়। এই কাউপার গ্রন্থির কিছু তরল স্রাব আবার বীর্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে বীর্যকে পিচ্ছিল করে তোলে। কাউপার  গ্রন্থি  দূটি থেকে প্রায় 25 সি.মি লম্বা একটি নালিকা লিঙ্গের ভিতরে মূত্র নির্গমন পথের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এর সাহায‍্যেই লিঙ্গমূলের গ্রন্থির অর্থাৎ কাউপার গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস বীর্যের সাথে মিশে যায়।

মূত্রাশয়ের সামনের দিকে থাকে প্রোস্টেট গ্রন্থি। বা পৌরুষ গ্রন্থি।এটি দেখতে ঠিক সুপারীর মত।এবং প্রায় 8 গ্রামের মত ওজন হয়।  এই গ্রন্থি থেকেই একপ্রকার সাদা পিচ্ছিল পদার্থ মৈথুন সময়ে লিঙ্গ মূখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। তখন পুরুষের বীর্যপাত হয় সেই সময় এই তরল পদার্থ বীর্যের সঙ্গে মিশ্রিত হয়। এর সঙ্গে শুক্রকীট থাকায় বীর্য সাদা  ও উজ্জ্বল দেখায় বা হয়।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started