
এই অঙ্গটির দ্বারা পুরুষ মৈথুন ক্রিয়া করে।এই মৈথুন ক্রিয়ার ফলে পুরুষের বীর্য স্ত্রীর যোনিগর্ভে পতিত হয়এবং সন্তান উৎপাদন হয়ে থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষের শিশ্ন বা লিঙ্গটি নরম ও সংকুচিত থাকে। এ হলো শিথিল অবস্থা। যখন কামোত্তোজনা জাগরিত হয় সেই সময় লিঙ্গে মধ্যস্থিত স্পঞ্জ জাতীয় পদার্থগুলি রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।এবং লিঙ্গটি আকারে বেশ বড়ো ও মোটা হয়। উত্তেজিত অবস্থায় এই সুদৃঢ় শিশ্নটি যোনিগর্ভে প্রবেশ করানো সহজ হয়।ও পরুষের সম্ভোগ ক্রিয়া সম্পূর্ণ করে। সহবাসের ফলে বীর্যপাতের সঙ্গে লিঙ্গ মধ্যস্থিত স্পঞ্জের মধ্যে যে রক্ত পরিপূর্ণ হয়,সেই রক্ত আবার সস্থানে ফিরে যায়।লিঙ্গ টি শিথিল হয়ে পড়ে। পুরূষের শিশ্ন সকলের একই দৈর্ঘ্যের বা একই পরিধির হয় না। কারো বড়ো হয় আবার কারো ছোটো হয়। এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার যে,চেহার বেশ লম্বা চওড়া বা মোটাসোটা হলেই যে তার শিশ্নটি বড়ো হবে এমন কোনো কথা নেই।একজন রোগা লোকের শিশ্ন বেশ বড়ো হয়এবং মোটা হতে পারৈ।এটি বড়ো ও মোটা হয় বংশ গতির কারণে। লিঙ্গ বড়ো বা ছোটো যাই হোক না কেন,তার সাহায্যে সমভোগ ক্রিয়া করা যায়। সাধারণত,(-4-8)ইঞ্চী শিশ্নটি হয়ৈ থাকে। পুরুষের সমগ্র লিঙ্গটির মধ্যে খুবই সংবেদনশীল অঙ্গ হলো শিশ্নমুন্ড। সামন্য কিছু স্পর্শেই এটি উত্তেজিত হয় পড়ে। সহবাস কালীন যখন শিশ্নটি নারীর যোনিতে প্রবেশ ও হয়,তখন শিশ্নটি নারীর যোনিতে প্রবেশ করানো হয়,তখন শিশ্নমুন্ডের সঙ্গে নারীর যোনির ঘর্ষন লাগে। তারই ফলে চরম উত্তেজনা লাগে এবং বীর্যপাত্ত হ্নয়। শিশ্নমুন্ডের সামনে থাকে- একটি ছিদ্র। এই ছিদ্রপথে বেরিয়ে আসে মুত্র ও বীর্য। মুত্রাশয় থেখে মুত্র বেরিয়ে আসে মুত্রনালী পথে।শুক্রাশয় থেকে শুক্র বেরিয়ে আস শুক্রনালীপথে তারপর শীশ্নমুন্ড পথে বেরিয়ে আসে।

সয় থেকে
Leave a comment