Subject for nari

প্রথম যৌবনা নারীর কাহিনী                                         পুরুষ ও নারীর যৌনাঙ্গ সম্পূর্ণ পৃথক ভাবে তৈরী হয়েছে।প্রকৃতির খেয়ালে।এক একটি অঙ্গের কাজও একএক প্রকার।🦄যৌনাঙ্গে কোন অংশ প্রজনন কার্য‍্যের সহায়তা করে আবার কোন অংশ মৈথুনে আনপ্দ দান করে।     এই যৌনাঙ্গের বা প্রজনন অঙ্গের দুটি অংশ।একটি হলো বর্হিজননেন্দ্রিয় এবং  আর একটি হলো অন্তর্জননেন্দ্রিয়। বাইর থেকে যা দেখা যায় তাকে বলে বর্হিজননেন্দ্রিয় বাইর থেকে যা দেখা যায় না,জনন্দ্রিয়র ভিতরে থাকে বা অভ‍্যন্তরে থাকে তাকে বলা হয় অন্তর্জনেন্দ্রিয়।

পুরুষের জননেন্দ্রিয়র বাইরে দেখি যায় লিঙ্গ এবং অন্ডকোষ। এই লিঙ্গের মুন্ডটি আবার অনেকের আচ্ছাদিত হয়ে থাকে একটি চিমড়ার দ্বারা। অনেকের আবার শিশ্ন মুন্ডটি অনাচ্ছাদিত থাকে। যখন পুরুষের কামোত্তোজনা জাগে তখন এই শিশ্ন উত্থিত হয় এবং শক্ত হয়।  তখন শিশ্ন সহজেই নারীর যৌনগর্ভে ফ্রবেশ করানো যায়। এছাড়া পুরুষের অন্তজননেন্দ্রিয়র মধ‍্যে থাকে স্পঞ্জ জাতীয় দন্ড। উপরে থাকে প্রধান শিরা-উপশিরাসমূহ। মূত্রনালীর স্পঞ্জদন্ড,মূত্রাশয়,প্রোষ্টেট গ্রন্থি,কালপার গ্রনথি, মূত্রবাহীনালী,পেশীসমূহ,শুক্রবাহীনালী,অন্ড প্রভৃতি। নারীর জননেন্দ্রিয়র দুটি অংশ-একটি বাহ‍্য জননেন্দ্রিয় আর একটি অন্তর জননেন্দ্রিয়। বাহ‍্য জননেন্দ্রিয়র মধ‍্যে দেখতে পাওয়া যায় যৌনি মন্ডল, এতে থাকে ভগাংকুর,বৃহৎ ভগোষ্ঠ যোনিপথ,সতিচ্ছদ,মলদ্বার প্রভৃতি।      নারীর জননেন্দ্রিয়র ভিতরে থাকে জলান্তি,মূত্রাশয়,গর্ভাশয়,ডিম্বাশয়,ডিম্ববাহীনালী,জরায়ুর গ্রীবা,জরায়ু প্রভৃতি।

One response to “Subject for nari”

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started