অন্ডকোষ এবং বীর্য/টেস্টিজ@ হরমোন

পুরুষের লিঙ্গের নিম্নে একটি থলির মতো থাকে,তারই মধ‍্যে থাকে দুটি অন্ড।অন্ড দুটির সাহায‍্যে বীর্য উৎপাদন হয়। সেজন‍্য অন্ড দুটিকে বীর্য উৎপাদনের কেন্দ্র বলা হয়। অন্ডকোষ কখনো সংকুচিত হয় আবার কখনো প্রসারিত হয়। লিঙ্গর চারপাশে এবং অন্ডকোষের উপরে লোম থাকে। একে যৌনকেষ বলে। শুক্রকীট কে বাঁচিয়ে রাখতে পারে এই দুটি অন্ড। আমাদের দেহে যে উত্তাপ আছে,সেই উত্তাফে শুক্রকীট বাঁচতে পারেনা। তাই প্রকৃতিগত ভাবে এটি দেহের থেকে পৃথকভাবে একটি আলাদা থলির মধ‍্যে থাকে। এখানে শুক্রকীট গুলো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে।আমাদের দেহের তুলনাই অন্ডকোষের তাপমাত্রা (5-10)সেন্টিগ্রেট কম থাকে।

শুক্র বা বীর্য হলো সাদা রঙের এক প্রকার পদার্থ। সম্ভোগ করার সময় এই পদার্থটি শিশ্নমুন্ডের মধ‍্য দিয়ে পতিত হয়। এটি এক প্রকার গাঢ় পদার্থ।এই শুক্র বা বীর্য পুরুষের দেহের কোন একটি বিশেষ অঙ্গ দ্বারা নির্মিত হয় না। এই বীর্য নামক পদার্থটি শুক্র প্রণালী,অন্ডগ্রন্থি,প্রোস্টেটগ্রন্থি এবং শুক্রাশয় গ্রন্থি প্রভৃতি বিভিন্ন জনন তন্ত্রের বিভিন্ন মিশ্রন দ্বারা তৈরী হয়।এই শুক্র বা বীর্যের মধ‍্যে শতকরা 90 ভাগ হলো জলীয় পদার্থ এবং শতকরা 10ভাগ শুক্রানু,প্রোটিন, জান্তর লবন প্রভৃতি থাকে। ক্রমানুক্রমে চলবে

2 responses to “অন্ডকোষ এবং বীর্য/টেস্টিজ@ হরমোন”

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started